কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত: সাদা বালির সৈকতে রঙিন ছাতা আর নারকেল গাছ
সাদা বালির সৈকতে রঙিন ছাতা আর নারকেল গাছ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত: ওপর থেকে দেখা লম্বা সৈকত, কমলা ছাতা আর ঝাউবন
ওপর থেকে দেখা লম্বা সৈকত, কমলা ছাতা আর ঝাউবন
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত: সৈকতে ছাতার নিচে সারি সারি চেয়ার
সৈকতে ছাতার নিচে সারি সারি চেয়ার
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত: ড্রোন থেকে দেখা সৈকত আর পাশের ভবন
ড্রোন থেকে দেখা সৈকত আর পাশের ভবন
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত: সৈকতে সূর্যাস্তের সময় মানুষের ভিড়
সৈকতে সূর্যাস্তের সময় মানুষের ভিড়
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত: উঁচু জায়গা থেকে দেখা সৈকত, সবুজ গাছ আর নীল সাগর
উঁচু জায়গা থেকে দেখা সৈকত, সবুজ গাছ আর নীল সাগর

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

Cox's Bazar Sea Beach

কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার

অনলাইন সূত্রে হালনাগাদ: ৬ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরের তীরে প্রায় ১২০ কিলোমিটার লম্বা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, এশিয়ার দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুকাময় সৈকত। শহরের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট থেকে মেরিন ড্রাইভ ধরে হিমছড়ি আর ইনানী পর্যন্ত পুরোটাই ঘোরা যায়।

ঢাকা থেকেপ্রায় ৪১৫ কিমি
যেতে সময়বাসে ৯ – ১২ ঘণ্টা
প্রবেশ ফিনেই
সেরা সময়নভেম্বর – মার্চ

কী কী দেখবেন

৫টি জায়গা
  • লাবণী পয়েন্ট

    শহরের সবচেয়ে কাছের ও ব্যস্ত সৈকত। ঘোড়ায় চড়া আর স্পিডবোটের ব্যবস্থা আছে।

    শহরের প্রধান সৈকত
  • সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট

    লাবণীর দক্ষিণে টানা সৈকত, পাশে হোটেল আর রেস্তোরাঁ। সুগন্ধার কাছেই বার্মিজ মার্কেট। সূর্যাস্ত দেখার জনপ্রিয় জায়গা।

    লাইফগার্ড আছে
  • মেরিন ড্রাইভ

    কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার সাগরঘেঁষা সড়ক। একপাশে পাহাড়, অন্যপাশে সমুদ্র।

    হিমছড়ি ও ইনানীর পথ
  • হিমছড়ি

    মেরিন ড্রাইভের পাশে পাহাড়ি জাতীয় উদ্যান ও ঝর্ণা। পাহাড়ের ওপর থেকে সাগর দেখা যায়।

    মেরিন ড্রাইভে
  • ইনানী সৈকত

    উখিয়ায় প্রায় ১৮ কিলোমিটার লম্বা সৈকত, পাড়ে কালো-সবুজ প্রবাল পাথর। পাথর ধারালো, সাবধানে হাঁটুন।

    শহর থেকে ৪৫ মিনিট – ১ ঘণ্টা

যাবেন কীভাবে

কক্সবাজার শহর থেকে (হিমছড়ি – ইনানী)

  • সিএনজি রিজার্ভমেরিন ড্রাইভ ধরে আসা-যাওয়া, হিমছড়ি ও ইনানী একসাথেভাড়া৳৮০০ – ১,২০০
  • জিপ রিজার্ভআসা-যাওয়া, ১০ – ১৫ জনের দলের জন্যভাড়া৳২,০০০ – ৩,০০০

চট্টগ্রাম থেকে

  • ট্রেন (সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস)প্রায় ৩.৫ – ৪ ঘণ্টা, শ্রেণিভেদে ভাড়াভাড়া৳১৮৫ – ৩৪০
  • বাসপ্রায় ১৫০ কিমি, নন-এসি ও এসি। জ্বালানির দাম বাড়ার পর ভাড়া ৳১০০ – ১৫০ বেড়েছেভাড়া৳৪২০ – ৮০০ (২০২৩ সালের ভাড়া)

ঢাকা থেকে

  • নন-এসি বাস৯ – ১২ ঘণ্টা, বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া (৪০ আসন)ভাড়া৳১,২৩৩
  • এসি বাস৯ – ১২ ঘণ্টা, কোম্পানিভেদে ভাড়াভাড়া৳১,৭০০ – ২,৭০০
  • কক্সবাজার এক্সপ্রেসরাত ১০:৩০-এ ছাড়ে, প্রায় ৮.৫ ঘণ্টা, শ্রেণিভেদে ভাড়াভাড়া৳৫০০ – ১,৭২৫
  • বিমানপ্রায় ১ ঘণ্টা, তারিখ ও এয়ারলাইনভেদে ভাড়াভাড়া৳৪,৬০০ – ১২,০০০

ভাড়া আনুমানিক, সময় ও মৌসুমভেদে বদলায়। রিজার্ভ গাড়ি বা নৌকার ভাড়া আগে ঠিক করে নিন।

বিজ্ঞাপন

কখন যাবেন

  1. জানু
  2. ফেব্রু
  3. মার্চ
  4. এপ্রিল
  5. মে
  6. জুন
  7. জুলাই
  8. আগস্ট
  9. সেপ্টে
  10. অক্টো
  11. নভে
  12. ডিসে
সবচেয়ে ভালোভালোমোটামুটি
শীত (নভেম্বর – মার্চ)

আবহাওয়া আরামদায়ক, সাগর তুলনামূলক শান্ত। ভিড় ও হোটেল ভাড়া দুটোই বেশি থাকে।

বর্ষা (জুন – সেপ্টেম্বর)

সাগর উত্তাল থাকে, সৈকতে গুপ্তখাল তৈরি হয়। হোটেলে ছাড় মেলে, তবে গোসলে নামা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

খরচ (চট্টগ্রাম থেকে, জনপ্রতি)

  • ট্রেন ভাড়া (আসা-যাওয়া)৳৩৭০ – ৬৮০
  • হিমছড়ি – ইনানী সিএনজি রিজার্ভ (৪ জনে ভাগ করলে)৳২০০ – ৩০০
  • হোটেল ও খাবারমৌসুম ও মানভেদে আলাদা
মোট আনুমানিক৳৫৭০ – ৯৮০ (থাকা-খাওয়া বাদে)

সতর্কতা

  • হলুদ পতাকার জায়গায় নামুন, লাল পতাকায় নয়। লাল পতাকা মানে গুপ্তখাল বা বিপজ্জনক এলাকা। কলাতলী থেকে লাবণী পর্যন্ত ৫ কিমিতেই ১৭টি গুপ্তখাল চিহ্নিত হয়েছে, ৬ – ১০ ফুট গভীর।
  • লাইফগার্ড আছে শুধু কলাতলী – লাবণী অংশে। ২৭ জন লাইফগার্ড সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত থাকেন। এর বাইরে বা এই সময়ের পরে সাগরে নামবেন না।
  • ভাটার সময় টান সবচেয়ে বেশি। উল্টো স্রোত (রিপ কারেন্ট) মানুষকে গভীরে টেনে নেয়। জোয়ার-ভাটার সময় জেনে নামুন, কোমরপানির বেশি যাবেন না।
  • ইনানী, হিমছড়ি ও মেরিন ড্রাইভের সৈকতে গোসল নয়। শহরের বাইরের প্রায় ১১৫ কিমি সৈকতে লাইফগার্ড বা ডুবুরি নেই। নির্জন জায়গায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে।
  • কেউ ভেসে গেলে নিজে নামবেন না। চিৎকার করে লাইফগার্ড বা ট্যুরিস্ট পুলিশ ডাকুন। বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারানোর ঘটনা বারবার ঘটছে।

থাকা ও খাওয়া

শহরে পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্ট আছে, বেশিরভাগ কলাতলী ও সুগন্ধা এলাকায়। ছুটির দিনে ও শীতে আগে বুকিং দিন, তখন হোটেল, খাবার ও অটো ভাড়া অনেক বেশি চাওয়া হয়। অফ-সিজনে হোটেলে ছাড় পাওয়া যায়।

সাধারণ প্রশ্ন

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত কোথায়?

কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার। ঢাকা থেকে প্রায় ৪১৫ কিমি।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত যেতে কত সময় লাগে?

বাসে ৯ – ১২ ঘণ্টা।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত-এ প্রবেশ ফি আছে?

না, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত-এ ঢুকতে কোনো ফি লাগে না।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত যাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় কখন?

নভেম্বর – মার্চ। আবহাওয়া আরামদায়ক, সাগর তুলনামূলক শান্ত। ভিড় ও হোটেল ভাড়া দুটোই বেশি থাকে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ঘুরতে কত টাকা লাগে?

চট্টগ্রাম থেকে, জনপ্রতি আনুমানিক ৳৫৭০ – ৯৮০ (থাকা-খাওয়া বাদে)।

কক্সবাজার সৈকতে কোথায় গোসল করা নিরাপদ?

কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টের হলুদ পতাকা দেওয়া জায়গায়, সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে, যখন লাইফগার্ড থাকেন। লাল পতাকার কাছে আর সাগর উত্তাল থাকলে নামবেন না।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে সরাসরি ট্রেন আছে?

হ্যাঁ। কক্সবাজার এক্সপ্রেস রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে সকালে কক্সবাজার পৌঁছায়। শুধু বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে থামে। টিকিট দ্রুত শেষ হয়, আগে কাটুন।

তথ্য ভুল? জানানইমেইলে জানালে আমরা যাচাই করে ঠিক করি

বোতাম চাপলে আপনার ইমেইল অ্যাপ খুলবে, পাতার লিংকসহ লেখা তৈরি থাকবে। সেখান থেকে পাঠিয়ে দিন।

ভাড়া, ফি ও সময় মৌসুমভেদে বদলায়। যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হয়ে নিন।

শেয়ার করুনFacebookফেসবুকে শেয়ার করুন
বিজ্ঞাপন

আরও দর্শনীয় স্থান

See All