ই-টিআইএন নিবন্ধন
e-TIN Registration
ঘরে বসে এনবিআরের পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলে অনলাইনে টিআইএন (করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর) নেওয়া যায়। ট্রেড লাইসেন্স, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি, ঋণসহ নানা কাজে টিআইএন লাগে।
আবেদনের ধাপ
- ১পোর্টালে যানsecure.incometax.gov.bd/TINHome-এ গিয়ে ‘Register’-এ ক্লিক করুন
- ২অ্যাকাউন্ট খুলুনইউজারনেম (অনেকে এনআইডি নম্বর ব্যবহার করেন), পাসওয়ার্ড ও সিকিউরিটি প্রশ্ন বেছে নিন; মোবাইল নম্বরে আসা ভেরিফিকেশন কোড দিন
- ৩লগইন করে টিআইএন আবেদন বেছে নিনইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকে বাম মেনু থেকে ‘TIN Application’ নির্বাচন করুন
- ৪ফরম পূরণএনআইডি, ঠিকানা, জেলা-বিভাগ, মোবাইল নম্বর ও বৈবাহিক অবস্থা দিন; সব তথ্য ইংরেজিতে দিতে হবে
- ৫যাচাই করে জমাতথ্য মিলিয়ে দেখে সাবমিট করুন
- ৬ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণভবিষ্যতে লগইন ও অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে এগুলো অবশ্যই সংরক্ষণ করে রাখুন
- ৭টিআইএন সনদ ডাউনলোডঅনুমোদনের পর একই ওয়েবসাইটে ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে সনদ ডাউনলোড ও প্রিন্ট করা যায়; হারালে একইভাবে আবার নামানো যায় (২০২২ সালের প্রতিবেদন)
- ৮টিআইএন তথ্য সংশোধনলগইন করে ড্যাশবোর্ডের ‘Update TIN Information’-এ সংশ্লিষ্ট তথ্য ‘Edit’ করুন, সংশোধনের কারণ লিখুন, প্রয়োজনে জন্মনিবন্ধন/এনআইডি বা সরকারি নথি আপলোড করুন, সাবমিট করে রসিদ সংরক্ষণ করুন
ফি
- ই-টিআইএন নিবন্ধনবিনামূল্যে
নিবন্ধনে কোনো ফি নেই বলে আগের প্রতিবেদনে (২০২২) বলা আছে; ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে টিআইএন তথ্য সংশোধনেও সাধারণত কোনো ফি নেই বলা হয়েছে। নিশ্চিত হতে পোর্টাল দেখুন।
কারা আবেদন করতে পারবেন
- যাঁরা আয়কর রিটার্ন দেন, তাঁদের টিআইএন লাগে
- ট্রেড লাইসেন্স, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি কেনা, সিটি এলাকায় সম্পত্তি লেনদেন, আমদানি-রপ্তানি ও সরকারি টেন্ডারে টিআইএন লাগে
- ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, হিসাববিদের মতো পেশাজীবী এবং অনলাইনে আয় করা ব্যক্তিরাও (ফ্রিল্যান্সিং, ইউটিউব ইত্যাদি) এর আওতায়
- মাসে ১৬,০০০ টাকার বেশি আয়ের সরকারি চাকরিজীবী এবং ৫ লাখ টাকার বেশি ঋণ গ্রহীতার টিআইএন লাগে
- একজন ব্যক্তি জীবনে একবারই টিআইএন নিতে পারেন
যে কাগজপত্র লাগবে
- জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
- এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর
- ইমেইল ঠিকানা
- বর্তমান ঠিকানা, জেলা ও বিভাগ
- বৈবাহিক অবস্থা (বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর তথ্য)
যা মনে রাখবেন
- ফরমে সব তথ্য ইংরেজিতে লিখুন
- ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড হারালে সনদ নামানো ও তথ্য সংশোধন দুটোই আটকে যায়, তাই লিখে রাখুন
- ২০২৬-২৭ করবর্ষে ব্যক্তি করদাতা জুলাই-সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে ৫ শতাংশ কর রেয়াত বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা প্রণোদনার কথা প্রথম আলো (জুলাই ২০২৬) জানিয়েছে; ডিসেম্বরের পর রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত কর দিতে হবে
- রিটার্ন দিতে etaxnbr.gov.bd-তে ‘I am not registered yet’ থেকে টিআইএন ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপির মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হয়; এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল লাগে
- প্রবাসী করদাতারা পাসপোর্ট নম্বর, এনআইডি, ভিসার কপি, ইমেইল ও সাম্প্রতিক ছবি এনবিআরের নির্ধারিত ইমেইলে পাঠিয়ে ইমেইল-ওটিপি পদ্ধতিতে নিবন্ধন করতে পারেন (অক্টোবর ২০২৫)
হেল্পলাইন
সাধারণ প্রশ্ন
অনলাইনে আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ, অফিসিয়াল পোর্টাল secure.incometax.gov.bd/-এ।
কী কী কাগজপত্র লাগবে?
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, জেলা ও বিভাগ, বৈবাহিক অবস্থা (বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর তথ্য)।
টিআইএন কি একাধিকবার নেওয়া যায়?
না, একজন ব্যক্তি জীবনে একবারই টিআইএন সনদ করতে পারেন।
রিটার্ন জমার চূড়ান্ত তারিখ কত?
২০২৬-২৭ করবর্ষে একটি নির্দিষ্ট শেষ তারিখ নেই। ১ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দিলে ছাড় বা বাড়তি কর নেই। জানুয়ারি-মার্চে দিলে করের ২ শতাংশ বা ৩,০০০ টাকা (যেটি বেশি) বাড়তি দিতে হবে। এপ্রিল-জুনে বাড়তি লাগবে ৫ শতাংশ বা ৫,০০০ টাকা (যেটি বেশি)।
সরকারি সেবায় রিটার্নের বদলে টিআইএন সনদ চলে?
প্রথম আলো (অক্টোবর ২০২৫) জানিয়েছে, ট্রেড লাইসেন্স, ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিংসহ ১২টি সেবায় রিটার্নের বদলে টিআইএন সনদ দিলেই চলবে।
তথ্য ভুল? জানানইমেইলে জানালে আমরা যাচাই করে ঠিক করি
এই তথ্য সংবাদ ও গাইড থেকে নেওয়া, সরকারি ঘোষণা নয়। ফি ও নিয়ম বদলায়, আবেদনের আগে অফিসিয়াল পোর্টালে মিলিয়ে নিন।
