জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ও স্মার্ট কার্ড
NID Correction and Smart Card
জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল তথ্য অনলাইনে সংশোধন, হারানো বা নষ্ট কার্ডের জন্য নতুন কার্ডের আবেদন এবং নির্বাচন অফিস থেকে কার্ড সংগ্রহের নিয়ম।
আবেদনের ধাপ
- ১NID Wallet অ্যাপ নামানগুগল প্লে স্টোর থেকে NID Wallet অ্যাপ নামিয়ে নিন এবং কাগজপত্রের ছবি আগে থেকে তৈরি রাখুন
- ২অ্যাকাউন্ট খুলুনএনআইডি নম্বর, জন্ম তারিখ, ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করুন এবং মোবাইল নম্বর যাচাই করুন
- ৩প্রোফাইলে সংশোধন বেছে নিনপ্রোফাইল অংশে গিয়ে ‘এডিট করুন’ চাপুন এবং যে তথ্য বদলাতে চান তা দিন
- ৪ফি জমা দিনব্যাংক বা অনলাইনে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করুন
- ৫কাগজ আপলোড ও জমাসহায়ক কাগজপত্র আপলোড করে আবেদন জমা দিন
- ৬এসএমএসের জন্য অপেক্ষানিবন্ধিত মোবাইলে আবেদনের অবস্থা এসএমএসে জানানো হয়
- ৭কার্ড সংগ্রহএসএমএস পাওয়ার পর পুরোনো এনআইডি ও আবেদনের ফর্ম নিয়ে নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধিত কার্ড নিন
ফি
- নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখের মতো দৃশ্যমান তথ্য সংশোধন: প্রথমবার২৩০ টাকা
- দৃশ্যমান তথ্য সংশোধন: দ্বিতীয়বার৩৪৫ টাকা
- দৃশ্যমান তথ্য সংশোধন: তৃতীয়বার থেকে৪৬০ টাকা
- অন্যান্য তথ্য সংশোধন: প্রথমবার১১৫ টাকা
- অন্যান্য তথ্য সংশোধন: দ্বিতীয়বার২৩০ টাকা
- অন্যান্য তথ্য সংশোধন: তৃতীয়বার থেকে৩৪৫ টাকা
- নাম ও অন্যান্য তথ্য দুটোই সংশোধন৩৪৫ টাকা
- হারানো বা নষ্ট কার্ড রিইস্যু: প্রথমবারসাধারণ ১১৫ টাকা, জরুরি ৩৪৫ টাকা
- হারানো বা নষ্ট কার্ড রিইস্যু: দ্বিতীয়বারসাধারণ ৩৪৫ টাকা, জরুরি ৫৭৫ টাকা
- হারানো বা নষ্ট কার্ড রিইস্যু: তৃতীয়বার থেকেসাধারণ ৫৭৫ টাকা, জরুরি ১,১৫০ টাকা
সব ফি ভ্যাটসহ। নির্বাচন কমিশন ৩০ জুলাই ২০২৬-এর চিঠিতে এই হার জানিয়েছে। একই আবেদন বারবার করলে ফি বাড়ে। দুটোই সংশোধনের ৩৪৫ টাকা ২০২৩ সালের প্রতিবেদনের। টাকা দেওয়ার আগে পোর্টালে মিলিয়ে নিন।
কারা আবেদন করতে পারবেন
- যাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার নিবন্ধন আছে
- সংশোধনের জন্য যথাযথ প্রমাণপত্র থাকতে হবে
যে কাগজপত্র লাগবে
- পাবলিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র বা সনদ
- জন্মনিবন্ধন সনদ
- পাসপোর্ট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স
- আবেদনের সঙ্গে একাধিক সহায়ক কাগজ দেওয়া ভালো
যা মনে রাখবেন
- নভেম্বর ২০২৫ থেকে নাম, জন্মতারিখসহ বেশিরভাগ সংশোধন বন্ধ ছিল। ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে সব ধরনের সংশোধনের আবেদন আবার চালু হয়েছে
- জন্ম তারিখ সংশোধনের আবেদন এখন ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে পড়ে এবং এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালকের পর্যায়ে নিষ্পত্তি হয়
- আবেদন বাতিলের কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশন বলেছে: তথ্য-প্রমাণের ঘাটতি, অসঙ্গতি বা অন্যান্য কারণ। ভুয়া তথ্য দিলেও আবেদন বাতিল হয়
- যথাযথ কারণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকলে আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়
হেল্পলাইন
সেবাটি সম্পর্কে
স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ ২০১৬ সালে শুরু হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী কার্ড সরবরাহে ঘাটতি আছে এবং নতুন ব্ল্যাংক কার্ড আনার প্রক্রিয়া চলছে, তাই কার্ড হাতে পেতে সময় লাগতে পারে।
সাধারণ প্রশ্ন
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ও স্মার্ট কার্ড পেতে কত সময় লাগে?
সর্বোচ্চ ২ মাস (একটি সূত্র অনুযায়ী); নির্বাচন কমিশন ৪৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে।
অনলাইনে আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ, অফিসিয়াল পোর্টাল services.nidw.gov.bd/-এ।
কী কী কাগজপত্র লাগবে?
পাবলিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র বা সনদ, জন্মনিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের সঙ্গে একাধিক সহায়ক কাগজ দেওয়া ভালো।
এনআইডি সংশোধনের আবেদন কোথায় করব?
services.nidw.gov.bd পোর্টাল বা NID Wallet অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যায়।
সাহায্য পেতে কোন নম্বরে ফোন করব?
নির্বাচন কমিশনের টোল-ফ্রি হটলাইন ১০৫, সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। নতুন ভোটার নিবন্ধন, স্থানান্তর ও সংশোধনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা মেলে।
সংশোধিত কার্ড কীভাবে পাব?
আবেদন নিষ্পত্তির এসএমএস পেলে পুরোনো এনআইডি ও আবেদনের ফর্ম নিয়ে নির্বাচন অফিসে যেতে হয়।
আবেদন কেন বাতিল হয়?
নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী তথ্য-প্রমাণের ঘাটতি, অসঙ্গতি বা অন্যান্য কারণে। ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের ২ আগস্ট পর্যন্ত ৬৩ লাখের বেশি আবেদনের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ৯৫ হাজার বাতিল হয়েছে।
তথ্য ভুল? জানানইমেইলে জানালে আমরা যাচাই করে ঠিক করি
এই তথ্য সংবাদ ও গাইড থেকে নেওয়া, সরকারি ঘোষণা নয়। ফি ও নিয়ম বদলায়, আবেদনের আগে অফিসিয়াল পোর্টালে মিলিয়ে নিন।
